ডেক্স রিপোর্টঃ
বরিশাল জেলা
পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েল উপসচিব, ১সপ্তাহ ধরে অফিসে আসছেন না। জেলা পরিষদে সেবা গ্রহীতা হয়রানি শিকার হচ্ছেন।
অফিসের কর্মরত কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন স্যার বাসায় বসে ফাইল স্বাক্ষর করেন। তিনি অফিস করেন ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত।
সেবা গ্রহীতা নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন একমাস ধরে সকাল দশটা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত আসি আর যাই জেলা পরিষদ থেকে কোন সেবা পাচ্ছিনা আমরা।
অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা বলেন কোন ফাইল নিয়ে গেলে তিনি আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন সব সময় তার মাথা গরম থাকে। ঠিক মতন কোন কাজ করে দেয় না। তানিয়ে সেবা গ্রহীতার সাথে কথা কাটাকাটি হচ্ছে।

২০২৬ সালের মার্চ মাসের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি অফিসগুলোতে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং নিয়মিত উপস্থিতির নির্দেশ দিয়েছে। রমজান মাসে অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা (১:১৫-১:৩০ বিরতি) পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। দেরিতে আসা বা অনুমতি ছাড়া অফিস ত্যাগ করা শাস্তিমূলক অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে [৬, ৮, ১৩, ১৪]।
উপস্থিতি: সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক [১৪, ১৫]।
কার্যক্রম: অফিস সময়ে দাপ্তরিক কাজ ছাড়া নিজ কর্মস্থল ত্যাগ করা যাবে না [১৩]।
নির্ধারিত সময়: রোজা চলাকালীন অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩:৩০টা [৮]।
শাস্তি: নিয়ম অমান্য করলে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে [১৪, ১৫]।
সরকারি কর্মচারীরা সঠিক সময়ে অফিসে না এলে ব্যবস্থা নির্দেশ থাকা সত্বেও নিয়ম মানছেন না তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই অফিসে চলে আসেন।
জনদুর্ভোগ কমাতে এবং যানজট এড়াতে তিনি অনেক সময় প্রটোকল ছাড়াই খুব ভোরে সচিবালয়ে উপস্থিত হন। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনের ফলে কর্মকর্তাদের মধ্যে সময়ের সচেতনতা এবং একটি ইতিবাচক চাপ তৈরি হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি বলেছেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যদি সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিত না হন, তবে সরকারের প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।