1. admin@agamirsangbad.com.com : admin-barishal :
১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| শুক্রবার| রাত ৪:৪০|
শিরোনামঃ
শাসক নয় সেবক হওয়াই কাম্য এই স্লোগান কে সামনে রেখে জনগণের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা ইউনিয়নে মোঃইমরুল কায়েস শাসক নয় সেবক হওয়াই কাম্য এই স্লোগান কে সামনে রেখে জনগণের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা ইউনিয়নে মোঃজুনাব আলী শাসক নয় সেবক হওয়াই কাম্য এই স্লোগান কে সামনে রেখে জনগণের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা মোঃএকরামুল হক প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে বরিশাল জেলা পরিষদেপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অফিস করছে না শাসক নয় সেবক হওয়াই কাম্য এই স্লোগান কে সামনে রেখে জনগণের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা মোঃইমাউল হক শাসক নয় সেবক হওয়াই কাম্য এই স্লোগান কে সামনে রেখে জনগণের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা মোঃইমাউল হক শাসক নয় সেবক হওয়াই কাম্য এই স্লোগান কে সামনে রেখে জনগণের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা মোঃইমাউল হক ইমরানের বিরুদ্ধে ইনফ্রা পলিটেকনিক দখলের চেষ্টার অভিযোগ , শিক্ষক-কর্মচারীকে প্রবেশে বাধা! শাসক নয় সেবক হওয়াই কাম্য এই স্লোগান কে সামনে রেখে জনগণের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা মীর্জা মোঃ আব্দুস ছালাম শাসক নয় সেবক হওয়াই কাম্য এই স্লোগান কে সামনে রেখে জনগণের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা মীর্জা মোঃ আব্দুস ছালাম

রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৫৬ বার পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক // জাতীয় ঐকমত্য কমিশন থেকে জুলাই সনদের প্রাথমিক খসড়া প্রকাশের পর রাজনীতিতে নতুন করে দুটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিদ্যমান সংবিধান বা কোনো আইনের সঙ্গে ভিন্নতা দেখা দিলে তাতে জুলাই সনদই প্রাধান্য পাবে এবং এ সনদের বৈধতা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না- এ দুটি বিষয়ে এই বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধানের কোনো কথা অপছন্দ হলে তা সংশোধন কিংবা পুনর্লিখন করা যায়; কিন্তু কোনো আইন সংবিধানের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না। এ নিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান একটি রাজনৈতিক দলের নেতারাও প্রশ্ন তুলেছেন, জুলাই সনদকে সংবিধানের ওপরে স্থান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে কিনা। তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ মনে করেন, সংবিধানে নতুন কিছু অন্তর্ভুক্ত করা হলে সেটাকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে বলার সুযোগ নেই।

সম্প্রতি প্রকাশ করা জুলাই সনদের খসড়া ‘জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামা’র দ্বিতীয় দফায় বলা হয়েছে, ‘এই সনদের সকল বিধান, নীতি ও সিদ্ধান্ত সংবিধানে অন্তর্ভুক্তকরণ নিশ্চিত করব এবং বিদ্যমান সংবিধান বা অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর কিছু থাকলে সেই ক্ষেত্রে এই সনদের বিধান/প্রস্তাব/সুপারিশ প্রাধান্য পাবে। অঙ্গীকারনামার চতুর্থ দফায় বলা হয়েছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর প্রতিটি বিধান, প্রস্তাব ও সুপারিশ সাংবিধানিক ও আইনগতভাবে বলবৎ হিসেবে গণ্য হবে; বিধায় এর বৈধতা, প্রয়োজনীয়তা, কিংবা জারির কর্তৃত্ব সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না।’

এ বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘জুলাই সনদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে বিষয় দুটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কারণ সাংবিধানিকভাবে যদি আমি স্বীকৃতি না দেই, তা হলে ভবিষ্যতে এটা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে যে এর বৈধতা কোথায়। এখন এর বৈধতা তো অর্জিত হয়েছে রক্ত দিয়ে, প্রাণ দিয়ে। সুতরাং তাকে নিয়ে যদি আগামীকাল কেউ প্রশ্ন তুলতে যান, তা হলে সেই প্রশ্ন তো বন্ধ করতে হবে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে এই মানুষগুলোর প্রাণ, তাদের আত্মদান নিয়ে যেন কেউ কোনো দিন প্রশ্ন তুলতে না পারে।’

জুলাই সনদের একটা আইনি সুরক্ষা কিংবা সাংবিধানিক সুরক্ষার কথা বলছেন অনেকে। তার পরও জুলাই সনদকে বিদ্যমান সংবিধানের ওপরে রাখতে হবে কিনা সেই প্রশ্নও তৈরি হয়েছে। এমন প্রশ্নে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অবশ্য ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছেন।

আলী রীয়াজ বলেন, ‘জুলাই সনদে, বিশেষত সংবিধান সম্পর্কিত যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো যদি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয় তা হলে সেটা সংবিধানের ঊর্ধ্বে উঠে যায় না। বিদ্যমান সংবিধানে কোনো কিছু নেই বলেই যে সেটা প্রস্তাব করা যাবে না, সেটাও ঠিক নয়।’ তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এখন দেখেন, বর্তমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দশ বছর বলা নেই। কিন্তু আমরা আলোচনায় সব দল একমত হয়েছি। এখন এটাকে তো প্রাধান্য দিতে হবে। এখন এটা বিদ্যমান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এমনটা বলে আপনি যেন এই সুপারিশ ফেলে না দেন, সে জন্যই তো বলতে হচ্ছে, জুলাই সনদের প্রস্তাব প্রাধান্য পাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধানে যা আছে তাই যদি থাকে, তা হলে এত আলোচনার প্রয়োজন কী ছিল।’

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, ‘এই যে জুলাই সনদ, এখানে অনেক কিছু লেখা থাকল। কিন্তু এটা কি কেউ মানতে বাধ্য হবে আইনের মতো? আইন তো সংসদ করে। আমি বা আপনি একটা কিছু লিখে দিলাম আর বললাম যে দেশের সবাই এটা মেনে চলবে। এটা তো শুধু সংসদ বলতে পারে। আর যদি অধ্যাদেশ আকারে পাস করে আইন করতে চায়, তা হলে সেটাও তো একটা সীমিত সময়ের জন্য আইন হয়। সেটা আবার পরে আপনা-আপনি বিলোপ ঘটে। এই বিষয়টা কিন্তু কেউ খেয়াল করছেন না।’

এদিকে অধ্যাদেশের মাধ্যমেও যদি জুলাই সনদকে আইনে পরিণত করা হয়, তখনও সেখানে জটিলতা তৈরি হবে বলে অনেকে মনে করেন। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, সংবিধান সংশোধন করে সেখানে নতুন কিছু লেখা যায়। এটার একটা প্রক্রিয়া আছে। কিন্তু সংশোধনের আগেই যদি অন্য কোনো আইন করা হয় এবং সেটাকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয় তা হলে সেটা আরও জটিলতা তৈরি করবে।

শাহদীন মালিক বলেন, ‘সংবিধানের কোনো কথা অপছন্দ হলে আমরা প্রক্রিয়া মেনে নতুন কথা লিখতে পারি, সংশোধন করতে পারি। কিন্তু কোনো আইন যদি সংবিধানের ঊর্ধ্বে হয়ে যায়, তা হলে এর ফলাফল হলো দেশে আর সংবিধান বলে কিছু থাকল না। তখন জুলাই সনদটাই সংবিধান হয়ে যাবে। কিন্তু জুলাই সনদ তো আর সংবিধান না। ফলে এটা আইনগত দিক দিয়ে অস্বাভাবিক আলোচনা মনে হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘‘জুলাই সনদ একটা ‘নৈতিক ডকুমেন্ট’, একটা অঙ্গীকার। এটা কার্যকর করার একটা প্রতিজ্ঞা থাকবে, দায়বদ্ধতা থাকবে। কিন্তু এটাকে আইন হিসেবে গণ্য করার কোনো উপায় দেখছি না।”

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অঙ্গীকারনামায় যা বলেছে এবং জুলাই সনদকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে রাখা না রাখা নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিচ্ছে, তাতে বিএনপি আশ্বস্ত হয়নি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘জুলাই হচ্ছে রাজনৈতিক সমঝোতা দলিল। কোনো সমঝোতা দলিলকে ‘সংবিধানের ঊর্ধ্বে” অবস্থান দেওয়া যায় না। সেটা করা হলে খারাপ নজির তৈরি হবে। অঙ্গীকারনামায় যা উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে দৃশ্যতই সংবিধানের ওপরে স্থান দেওয়ার মতো কিছু বিষয় আছে, যেটা আমার মনে হয় সমীচীন নয়। এখন আমাদের এই চিন্তা করলে হবে না যে, আমাদের দেশে সংবিধান নেই। ফলে এখন কী করা হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, নতুন যে কমিটমেন্ট দলগুলো করছে, এগুলো যদি পরবর্তীকালে রাজনৈতিক সরকার বাতিল করে দেয় বা অবৈধ ঘোষণা করা হয়, তখন এই ঐকমত্য প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়বে। ফলে এমন প্রেক্ষাপটে ঐকমত্য কমিশনের যে ইচ্ছা, সেটা ইতিবাচক। তবে এটা বাস্তবসম্মত কতটুকু, সেটা আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে।

২৪টি দলের মতামত জমা : এদিকে জুলাই সনদ পর্যালোচনা করে ২৪টি রাজনৈতিক দল এর ওপর নিজেদের মতামত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বরাবর জমা দিয়েছে। এর আগে গত ১৬ আগস্ট রাতে রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রেরিত পূর্ববর্তী খসড়ায় কিছু ত্রুটি থাকায় তা সংশোধন করে নির্ভুল খসড়া প্রেরণ করা হয়। গত ২০ আগস্ট কমিশনের পক্ষ থেকে খসড়াটির ওপর নিজেদের যে কোনো ধরনের মতামত প্রদানের সময় ২২ আগস্ট বিকাল তিনটা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। গতকাল শুক্রবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৪টি দল তাদের মতামত কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে।

মতামত জমা দেওয়া দলগুলো হলো- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, আমজনতার দল, গণফোরাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), জাতীয় গণফ্রন্ট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি- সিপিবি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাকের পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত মতামত দেয়নি ছয়টি রাজনৈতিক দল। দলগুলো হলো- নাগরিক ঐক্য, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলােশ এবং ইসলামী ঐক্যজোট। কমিশন সূত্র জানিয়েছে, জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়ার ওপর মতামত প্রদানের সময় আর বাড়ানো হবে না।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com